অভিজ্ঞতা
টাইটেল দেখে হয়তো ভাবছেন,অভিজ্ঞতা সম্পর্কে কি না কি শেয়ার করবে।অথবা ভাবতে পারেন,আমি হয়তো কোনো বিষয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তি যে তার নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে এসেছি।আসলে তেমন কিছুই না,আমি একজন সাধারণ মানুষ আমার চোখের সামনে যা ঘটে আমি তাই উপস্থাপন করি।জানিনা সাহিত্যিকদের মতো পারি কি না। তবে যা উপস্থাপন করি তাতে সমাজ জীবনে চলার পথে আমরা কোন কোন কাজ গুলো করছি যা মোটেই করা ঠিক নয় অথবা কোন কাজ গুলো না করার ফলে আমরা নিজেদের,সমাজের তথা দেশের উন্নতিতে অংশগ্রহণ করতে পারছি না যে কাজগুলো চাইলেই আমরা করতে পারি।
আমাদের সমাজ ব্যবস্থা আমাদেরকে এমন এক দিকে নিয়ে যাচ্ছে যা আমাদের চিন্তা-ভাবনাকে সংকোচিত করে দিচ্ছে।আমরা চাইলেই এমন সমাজ থেকে বেড়িয়ে যেতে পারব না,কিন্তু আমাদের চিন্তা ভাবনাকে তো পাল্টাতে পারি।
এখন হয়তো ভাবছেন কি এমন করলো আমাদের সমাজ ব্যবস্থা যে আমি তার দোষ দিচ্ছি।তাহলে শুনুন, আমাদের বর্তমান হলো আমরা সবাই চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক,ভালো চাকরি করুক ইত্যাদি ইত্যাদি।কিন্তু একটু খেয়াল করলে দেখতে পারবেন- বতর্মানে আমাদের দেশে যদি বেকারের সংখ্যা হিসাব করা হয় তার মধ্যে 90% শিক্ষিত বেকার।আর এই শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এখন বলবেন সব দোষ সরকারের।কারণ সরকার সবাইকে পাশ করিয়ে দিচ্ছে কিন্তু চাকরি দিচ্ছে না।আচ্ছা একটা কথা বলুন তো বছরে কতজন সরকারি চাকরিজীবি অবসরে যান অথবা কতটি প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে সরকার সবাইকে চাকরি দেবে।
আমি বলি কি,সরকারি চাকরি ছাড়া কি দেশে চাকরি নাই আর তাছাড়াও সবাই যদি চাকরি করে তো চাকরি দেবে কে। আমাদের মধ্যে কি এমন কিছুই নেই যা কাজে লাগিয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারি।আমরা কি পারি না কর্মস্থান তৈরি করতে যাতে আমরাই অন্যদের চাকরি দিতে পারি।আসলে আমাদের সমস্যা কোথায় জানেন আমরা কেউ চাইনা আমাদের চিন্তাভাবনাকে বিকশিত করতে,আমরা চাইনা আমাদের গন্ডির বাইরে ভাবতে যার ফলে আমরা অবহেলিত।আমাদের সারাজীবন চলে যায় অন্যের জন্য করতে করতে।আমরা চাই না নিজের জন্য কাজ করতে।আর কেউ যদি এমনটা করতে চায় আমরা তাকে নিয়ে হাসাহাসি করি। দিনশেষে যখন সে সফলতা অর্জন করে তখন আমরা নিজেদের ভাগ্যকে দোষারোপ করি।এটাও বলি না যে আমিও চেষ্টা করলে হয়তো পারতাম।
এত কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ
আরও কিছু বলার ছিলো হয়তো অন্যকোন দিন...
Comments
Post a Comment