উপলব্ধি
আজকে যে বিষয় নিয়ে কথা হবে তাকে উপলব্ধি না বলে আত্নোপলব্ধি বলা ভালো।বেশির ভাগ মানুষ নিজেকে নিয়ে ভাবেন না বা ভাবার সময় পায় না।সবাই ব্যস্ত অন্যের ভুল খুজতে।আর এ কারনেই আমরা সফল হতে পারি না।
যদি পৃথিবীর সকল সফল মানুষের দিকে তাকান তবেই লক্ষ্য করবেন তারা সবাই নিজের সক্ষমতা উপলব্ধি করতে পেরেছেন বলেই আজ তারা সফল।তারা বুঝতে পেরেছে,তাদের কি করা উচিত।কোন কাজটি তাদের জন্য সফলতা নিয়ে আসতে পারে।
অথচ আমরা বেশিরভাগ মানুষই এমনটা করি না।আমরা আমাদের সাধারন জীবন ধারাকে পরিবর্তন করতে চাই না।আমরা পড়াশুনা করি চাকরির জন্য।আমাদের কাছে পড়াশুনা বলতে ভালো চাকরির উদ্দেশ্য।
আমরা পড়াশুনা বা শিক্ষার আসল উদ্দেশ্যের সাথে চাকরির গরমিল করে ফেলেছি।শিক্ষা আমাদের শেখায় কারও কাছে মাথা নত না করতে।কারও কাছে নিজের স্বাধীনতাকে বিষর্জন না দিতে।অথচ আমারা সেই কাজটিই করছি।চাকরির অর্থই যে অন্যের অধিনস্থ হওয়া বা তার কাছে নিজের স্বাধীনতা বিষর্জন দেওয়া তা সরকারই হোক বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক হোক সেটা আমরা ভুলে গেছি।
একটু খেয়াল করলেই আমরা দেখতে পাই ম্যানেজার তার কর্মচারির সাথে,প্রধান শিক্ষক তার সহকারীদের সাথে কিররকম ব্যবহার করছে।এখানে কেউ দোষী না সবাই পরিস্থিতির স্বীকার।এখন আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন আপনি কোথায় থাকতে চান।
অন্যদিকে একজন ব্যবসায়ী যতটা স্বাধীন ভাবে তার কাজ করতে পারে বা জীবন উপভোগ করে কোন চাকরিজীবির পক্ষে তা সম্ভব না।
আমরা আমাদের মেধা ও শিক্ষার দ্বারা আমাদের সমাজে এমন অনেক কাজই করতে পারি যা সাধারণ মানুষ করতে পারে না।আমাদের সমাজে এমন অনেক পেশার মানুষ আছে যারা তাদের কাজগুলো আজীবন করে যাচ্ছেন কিন্তু তাদের উন্নতি হচ্ছে না।আবার সেই কাজই একজন শিক্ষিত মানুষ করে তার উন্নতি করতে পেরেছে।উদাহারণ হিসেবে খামার বা মাছ চাষের কথা বলা যায়।
এখন আপনি বলবেন,এত পড়াশুনা করেছি কি খামার করার জন্য বা মাছ চাষের জন্য। আমি আপনাদের কে এসব করতে বলছি না।চারপাশে তাকালে এমন অনেক কাজই দেখতে পাবেন যা আপনি করতে পারবেন।শিক্ষার আসল উদ্দেশ্য কিন্তু এটাই আপনার জ্ঞানকে বিকশিত করা যাতে আপনি যেকোনো কাজ সঠিক ভাবে করতে পারেন।
আমি জানিনা আমার লেখা মানুষ পরে কিনা তবে লেখা আমি চালিয়ে যাব।যারা আমার লেখা পড়ছেন তাদের ধন্যবাদ।যেহেতু প্রথম লেখালেখি সুতরাং ভুলত্রুটি থাকতে পারে।আশাকরি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।ধন্যবাদ
Comments
Post a Comment